রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
Logo

নিরাপদ ক্যাম্পাস ও  কারাবন্দী নেতাদের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্কঃ / ৯ জন দেখেছেন
প্রকাশ : সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০২২

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদলতে গ্রেফতারকৃত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়। জামিন শুনানির দিন সোমবার বেলা ১১ টায় গ্রেফতারকৃত ২৪ নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা মানববন্ধনের আয়োজন করেন। মানববন্ধনে নেতাকর্মীরা নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনির্মানের দাবিও তুলেন।

 

(৭ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(ঢাবি) ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক সালেহ উদ্দিন সিফাতের সঞ্চালনায় মানব বন্ধনে বক্তৃতা করেন,ঢাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের অর্থ বিষয় সম্পাদক,আহনাফ সায়েদ খান,আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত রশিদ খান,সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী হাসিব আল ইসলাম,ঢাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক,নুসরাত তাবাসসুম।

 

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী রিফাত রশিদ বলেন, এই ক্যাম্পাস কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর। ওই নির্দিষ্ট গোষ্ঠী তার মতের বিপরীতে অন্য কোন মত সহ্য করতে পারেনা। বিপরীত মতের মানুষের উপর হামলা মামলা দিয়ে তাদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে। আবরার ফাহাদের স্মরণে আয়োজিত আমাদের অনুষ্ঠানে সেই একই গোষ্ঠী হামলা করে পরবর্তী তারাই মামলা দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের জেলে পুরে দিয়েছে। প্রশাসনের কোন ভূমিকা এখানে আমরা দেখতে পাইনা। প্রশাসন চুপচাপ সব দেখে যাচ্ছে। অনেক নেতাকর্মীদের অসুস্থ অবস্থায়ও রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।অনেকেই তাদের ফাইনাল পরিক্ষা দিতে পারেনি জেলে থাকার কারণে।তাদের পরিক্ষা দেওয়ার সুযোগটুকুও দেয়া হয়নি। যা অমানবিক।

 

ঢাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক নুসরাত তাবাসসুম বলেন, গ্রেফতারকৃত ২৪ জন নেতাকর্মী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী। তারাও আমাদের মতই স্বপ্ন নিয়ে ক্যাম্পাসে এসেছেন।কিন্তু শিক্ষার্থীদের অধিকারের কথা বলতে গিয়ে আজ তাদের সেই স্বপ্ন ব্যহত হচ্ছে। তাই সকল শিক্ষার্থীদেরকে নিজ নিজ জায়গা থেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। আমরা আশা করবো মহামান্য আদালত আমাদের নিরপরাধ নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দিবেন।

 

ঢাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আহনাফ সায়েদ খান বলেন, আবরার ফাহাদের খুনি সংগঠন ছাত্রলীগ আবরার ফাহাদের স্মরণে আয়োজিত সভা মেনে নিতে পারেনি। এজন্য তারা আমাদের ভাইদের উপর চড়াও হয় এবং সবাইকে জেলে দেয়। আমাদের ভাইরা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানেও তাদের উপর হামলা করা হয়। এক্সরে রুম থেকে টেনে হিচড়ে তাদের মারা হয়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবকদের এই ব্যাপারে কোন ভ্রুক্ষেপই নেই। তারা শুধু মাত্র নামে আমাদের অভিভাবক কাজের বেলায় দেখা যায়না তাদের।

 

নেতাকর্মীরা আরো বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে হামলা পরবর্তী তাদের নামে মামলা দিয়ে জেলে পুরে দেয়া হয়েছে।এতে অনেক শিক্ষার্থী ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। শিক্ষার্থীরা শুধু মাত্র ফ্রিডম অভ মুভমেন্ট থেকে বঞ্চিত হচ্ছেনা তারা ফ্রিডম অভ এডুকেশন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।

 


আরও দেখুন
Theme Created By ThemesDealer.Com